বাংলার উপনির্বাচন ৩ টি আসনেই তৃণমূলের বিপুল জয়

0
ছবি: সংগৃহীত

তরঙ্গবার্তা অনলাইন ডেস্ক: বাংলার তিন বিধানসভা উপনির্বাচনে তৃণমূল প্রার্থীরা জিতে গেল। দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই জয়কে সম্প্রীতি ও একতার জয় বলেছেন। 

উপনির্বাচনের ফলাফলে সবচেয়ে বড় চমক কালিয়াগঞ্জ কেন্দ্রে। ২৩০৪ ভোটে জয়ী হলেন তৃণমূল প্রার্থী তপন দেব সিংহ। যদিও এই কেন্দ্রে প্রথম থেকেই এগিয়ে ছিলেন বিজেপি প্রার্থী। কিন্তু বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ছবিটা পাল্টাতে শুরু করে। দশ রাউন্ডের ব্যবধান কমাতে কমাতে শেষ পর্যন্ত সপ্তম রাউন্ডে এসে বিজেপি প্রার্থীকে পিছিয়ে এগিয়ে যান তৃণমূল প্রার্থী। তার পর বাকি তিনটি রাউন্ডে সেই ব্যবধান আর টপকাতে পারেনি। মাত্র ছ’মাস আগে লোকসভা লোকসভা ভোটের নিরীখে কালিয়াগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী এগিয়ে ছিলেন ৫৬৭৬২ ভোটে। সেখান থেকে এই ব্যবধান কমিয়ে ফের তৃণমূল প্রার্থীর জয় অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

এদিকে খড়গপুর সদর কেন্দ্রের উপনির্বাচনেও ছ’মাসের মধ্যেই পাল্টে গেল চিত্র। যদিও এই কেন্দ্রে গণনার শুরুর দিকে অন্য চমক ছিল। প্রথম রাউন্ডের গণনার শেষে এগিয়ে ছিলেন বাম-কংগ্রেস জোটের প্রার্থী। যদিও পরের রাউন্ডেই এগিয়ে যান বিজেপি প্রার্থী। কিন্তু বেলা বাড়তেই এখানেও চিত্রটা পাল্টাতে থাকে। ধীরে ধীরে ব্যবধান কমাতে থাকেন এবং পঞ্চম রাউন্ডেই বিজেপি প্রার্থীকে পিছনে ফেলে এগিয়ে যান তৃণমূল প্রার্থী প্রদীপ সরকার। তার পর থেকে গণনা যত এগিয়েছে, ব্যবধান বেড়েছে তৃণমূল প্রার্থীর। এই কেন্দ্রেও শেষ লোকসভা ভোটের নিরীখে খড়গপুর সদর কেন্দ্রে দিলীপ ঘোষ এগিয়ে ছিলেন ৪৫১৩২ ভোটে। আবার ২০১৪ সালের বিধানসভা নির্বাচনে দিলীপ ঘোষ এই কেন্দ্র থেকে জিতেছিলেন ৬৩০৯ ভোটে। ভোটের দিন বিজেপি প্রার্থী জয়প্রকাশ মজুমদারকে মারধরের ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়েছিল এই কেন্দ্রে।

তবে উপনির্বাচনের গণনায় তেমন কোনও চমক নেই। কারণ ২০১৪ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ১৫৯৮৯ ভোটে জিতেছিলেন তৃণমূল প্রার্থী। অন্য দিকে এ বছর লোকসভা নির্বাচনের নিরীখেও এই বিধানসভা কেন্দ্রে এগিয়ে ছিলেন তৃণমূল প্রার্থী। এ বারের তৃণমূল প্রার্থী বিমলেন্দু সিংহ রায়ের জয়ও কার্যত নিশ্চিত। উল্লেখযোগ্য ভাবে লোকসভার নিরীখে এবং গত বিধানসভা ভোটে জয়ের যে ব্যবধান ছিল, সেটা আরও অনেকটাই বাড়ছে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here