মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশীদের জন্য ত্রিপুরার জনগন তাঁদের মনের দুয়ার খুলে দিয়েছিল: বাংলাদেশের তথ্যমন্ত্রী

0
ছবি: সংগৃহীত

তরঙ্গবার্তা অনলাইন ডেস্ক: আগরতলায় রবীন্দ্রশতবার্ষিকী মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের সময় ত্রিপুরার জনগণ শুধু রাজ্য নয়, বাংলাদেশিদের জন্য খুলে দিয়েছিল তাদের মনের দুয়ার। সেসময় ত্রিপুরার জনসংখ্যা ছিল ১৫ লাখ, সেখানে বাংলাদেশি শরণার্থীর সংখ্যাও ছিল ১৫ লাখ। বাংলাদেশ তাই সমগ্র ভারতের সাথে ত্রিপুরার অবদানের কথাও চিরদিন স্মরণ করবে।’

তিন দিনব্যাপী এ অনুষ্ঠানের প্রথম দিন রোববার ত্রিপুরার রাজধানী আগরতলায় রবীন্দ্রশতবার্ষিকী মিলনায়তনে বাংলাদেশের তথ্য মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশন, আগরতলা আয়োজিত ‘প্রথম বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উৎসব, আগরতলা’র উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশের তথ্যমন্ত্রী একথা বলেন।

এদিনের অনুষ্ঠানে মন্ত্রী আরও বলেন, ‘রাজনৈতিক সীমানায় বিভক্ত হলেও বাংলাদেশ ও ভারতের জাতীয় সংগীতের রচয়িতা এক। একই জলবায়ুতে একই নদীর অববাহিকায় দু’দেশের মানুষের জন্ম ও বেড়ে ওঠা, একই পাখির কলতানে মুগ্ধতা। দু’দেশের মানুষের বন্ধুত্বও তাই সীমানা ছাড়িয়ে।’

আগরতলায় বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনার কীরিটি চাকমার সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন, ত্রিপুরা রাজ্যের কৃষি, পর্যটন ও পরিবহন মন্ত্রী প্রণজিত সিংহ রায়, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল করিম এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য স্বীকৃতিপ্রাপ্ত জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকদের মধ্যে স্বপন ভট্টাচার্য প্রমুখ।

তিন দিনব্যাপী এ উৎসবে আমাদের বঙ্গবন্ধু, স্বাধীনতা কী করে আমাদের হলো, বিশ্ব আঙিনায় অমর একুশ, গেরিলাসহ মুক্তিযুদ্ধ, জাগে প্রাণ পতাকায়, জাতীয় সঙ্গীতে, পুত্র, খাঁচা, ভুবন মাঝি ও সমকালীন জীবনভিত্তিক ২০টি চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here