ছাত্র-যুবকদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে এসআইও হাওড়ার স্টুডেন্টস ম্যানিফেস্টো প্রকাশ

0
ছবি : নিজস্ব
নিজস্ব সংবাদদাতা, তরঙ্গ বার্তা, হাওড়া : আগামী লোকসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে আজ পশ্চিমবঙ্গের হাওড়া জেলার উলুবেড়িয়া প্রেস ক্লাবে ছাত্র সংগঠন এসআইও হাওড়া জেলা শাখার পক্ষ থেকে একটি ‘স্টুডেন্টস ম্যানিফেস্টো’ প্রকাশ করা হয়। হাওড়া জেলা সভাপতি আরিফুল রহমান এই ‘স্টুডেন্টস ম্যানিফেস্টো’ প্রকাশ করতে গিয়ে জানান, ‘ছাত্র এবং যুবকরা এই দেশের সবচেয়ে বড় শক্তি ও ভোটদাতা। তাই আগামী লোকসভা নির্বাচনে ভোট চাওয়ার আগে সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলিকে ছাত্র এবং যুবকদের প্রয়োজনগুলোকে মনে রাখা দরকার এবং সেগুলি পূরণের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হতে হবে। আমরা স্টুডেন্টস ম্যানিফেস্টোর মাধ্যমে দেশের ভবিষ্যত প্রজন্ম এই ছাত্র-যুবকদের কল্যাণ, উন্নতি ও নিরাপত্তা কে সুনিশ্চিত করতে সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলির সামনে দাবী জানাই।’
তিনি আরও বলেন যে, ছাত্র ও যুবকদের ন্যায্য দাবীকে বিভেদমূলক ও বিদ্বেষমূলক রাজনীতি দিয়ে দমিয়ে রাখা এবং তাদেরকে বিভ্রান্ত করা যাবে না। এদিন তিনি স্টুডেন্টস ম্যানিফেস্টোতে উল্লেখিত কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরেন এবং জানান, এসআইও চায় রাজনৈতিক দলগুলো তাদের নির্বাচনী ইস্তেহারে নিম্নোক্ত প্রস্তাব সুবিবেচনার সহিত অন্তর্ভুক্ত করবে। সেই সাথে পরবর্তীতে এই বিষয়গুলো কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকারের কর্মসূচীতে অন্তর্ভূক্ত করা হবে।
প্রস্তাব ও সুপারিশ
ক) শিক্ষার সহজলভ্যতা
১) রঙ্গনাথ মিশ্র কমিশনের প্রস্তাব অনুযায়ী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ছাত্র এবং শিক্ষক উভয় ক্ষেত্রেই মুসলিমদের জন্য ১০ শতাংশ এবং অন্যান্য সংখ্যালঘুদের জন্য ৫ শতাংশ সংরক্ষণ বাস্তবায়ন করতে হবে।
২) RTE ACT- ২০০৯ এর ৩ নাম্বার ধারায় উল্লেখিত ‘কমন স্কুল সিস্টেম এর উপর ভিত্তি করে ‘নিবারহুড স্কুল প্রকল্প’ কে দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে।
৩) অভিভাবকদের মধ্যে শিক্ষার গুরুত্ব ও প্রযোজনীয়তা বৃদ্ধি করতে এলাকা ভিত্তিক শিক্ষা সচেতনতা প্রচার অভিযান পরিচালনা করতে হবে।
৪) শিক্ষা ব্যবস্থাকে সহজলভ্য করতে সর্বস্তরের পড়ুয়াদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাতায়াতের জন্য ট্রেন ও বাসে বিনামূল্যের টিকিট প্রদান করতে হবে।
৫) পড়ুয়াদের জন্য রাজ্য স্তরে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যবীমা শুরু করতে হবে। ছাত্র-পরবর্তী জীবনে এই স্বাস্থ্যবীমাকে সাধারন স্বাস্থ্যবীমার আওতাভুক্ত করতে হবে।
৬) সরকারের উচিত বিশেষ মেধা সমন্ন শিশুদের (CSWN) প্রতি মনযোগী হওয়া। তাদের প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো, পাঠ্যক্রম, বইপত্র, প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত শিক্ষক এবং সহকারি কর্মী নিশ্চিত করতে সরকারের অনেক বেশি যত্নবান হওয়া দরকার।
৭) সম্প্রতি কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে সংখ্যালঘুদের জন্য মাওলানা আজাদ ন্যাশনাল ফেলোশিপ (MANF) এবং এসসি (SC) ও এসটি (ST)-দের জন্য নির্ধারিত রাজীবগান্ধী ন্যাশনাল ফেলোশিপের(RGNF) জন্য নতুন করে জারি করা UGC-NET পাশ বাধ্যতামূলক সংক্রান্ত নিয়মকানুন উচ্চ শিক্ষায় ইছুক পড়ুয়াদের বঞ্চিত করছে। এই বর্ধিত নিয়ম-কানুন অবিলম্বে সংশোধন করে ফেলোশিপের সংখ্যা বৃদ্ধি করতে হবে।
৮) সংখ্যালঘু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য প্রতিষ্ঠিত জাতীয় কমিশন শক্তিশালী করে কার্যকারী করতে অর্থনৈতিক বরাদ্দ বাড়াতে হবে।
৯) উচ্চ শিক্ষায় সংখ্যালঘু, এসসি এবং এসটিদের প্রতিনিধিত্ব বৃদ্ধি করতে কেন্দীয় সরকারের পক্ষ থেকে নতুন আইন জারি করতে হবে।
১০) Equal Opportunity Cell (EOC) সমস্তশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সুনিশ্চিত করতে হবে। সেই সঙ্গে এর মধ্যে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
১১) লিঙ্গভিত্তিক প্রয়োজনীয়তার উপর ভিত্তি করে পৃথক বিদ্যালয় ও কলেজ গড়ে তুলতে হবে।
১২) আলিগড় মুসলিম বিশ্বিদ্যালয়ের মুর্শিদাবাদ শাখার সার্বিক উন্নয়নের জন্য উপযুক্ত পদক্ষেপ নিতে হবে।
খ) শিক্ষার গুণগতমান
১) দেশের সকল পড়ুয়াদের মধ্যে শিক্ষার গুণগতমান নিশ্চিত করতে সমস্তরাজ্য ও কেন্দ্রীয় পর্ষদের পাঠ্যক্রম গুলোতে সমান গুরুত্ব দিতে হবে। গনিত এবং বিজ্ঞানের জন্য একই পাঠ্যক্রম শুরু করতে হবে।
২) বিভিন্ন কেন্দ্রীয় ও রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আঞ্চলিক ভাষায় পঠনপাঠনের ব্যবস্থা করতে হবে যাতে করে পড়ুয়ারা তাদের মাতৃভাষাতেই উচ্চশিক্ষা লাভ করতে পারে।
৩) বিভিন্ন বোর্ডের আওতাভুক্ত পাঠ্যক্রমে মূল্যবোধ ভিত্তিক শিক্ষা ব্যবসা সংযুক্ত করে তা বাধ্যতামূলক করতে হবে। এই মূল্যবোধ সম্পন্ন শিক্ষা সংশ্লিষ্ট পড়ুয়ার ধর্মের ভিত্তিতে হতে হবে।
৪) পাঠ্যক্রমকে বিদ্বেষ ও কুসংস্কার মুক্ত করার জন্য সংসদের পক্ষ থেকে পদক্ষেপ নিতে হবে। পাঠ্যক্রমে সহজে হস্তক্ষেপ বন্ধ করতে সংসদে যথাযথ আইন তৈরি করে তা কার্যকর করতে হবে।
৫) বিভিন্ন বোর্ডের আওতাভুক্ত পাঠ্যক্রমে পরিবেশ বিদ্যা অন্তর্ভুক্ত করে তা বাধ্যতামূলক করতে হবে।
৬) RTE ACT- ২০০৯ অনুযায়ী সকল সরকারি এবং বেসরকারি শিক্ষাঙ্গনগুলোকে পরিবেশ বান্ধব হিসাবে গড়ে তুলতে হবে। এই বিষয় যথাযথ রুপায়ন করতে রাজ্য সরকারগুলোকে দৃঢ় পদক্ষেপ নিতে হবে।
৭) তামাক এবং মাদকাসক্ত বিরোধী আইন কঠোর ভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। এই আইন লংঘনের দায়ে দোষীদের কঠোর শাস্তি দিতে হবে।
৮) সমাজে বঞ্চিত শ্রেণীর ছাত্রদের শিক্ষার মূলস্রোতে ফিরিয়ে আনার জন্য শিক্ষাঙ্গন এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে রিমেডিয়াল কোচিং সেন্টার প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
৯) প্রযুক্তি শিক্ষার মানকে উন্নত করার জন্য আধুনিক ও বিজ্ঞাসম্মত পরিকাঠামো তৈরি করতে হবে।
১০) প্রথম সারির সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে ফ্রী অনলাইন কোর্স চালু করতে হবে।
১১) শিক্ষাঙ্গনগুলিতে দক্ষতাবদ্ধিৃ ও কর্ম সংস্থান সহায়তা সেল প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
১২) উচ্চশিক্ষায় পাঠরত দরিদ্র ছাত্রছাত্রীদের সুদবিহীন ঋণের ব্যবস্থা করতে হবে।
১৩) শিক্ষাঙ্গনগুলিতে মানসিকভাবে অবসাদগ্রস্ত এবং মাদকাসক্তদের জন্য চিকিৎসা কেন্দ্র স্থাপন করতে হবে।
গ) শিক্ষার নিয়মিতকরন
১) শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে চুক্তি ভিত্তিক নিয়োগ হ্রাস করতে হবে, যাতে করে শূন্যপদগুলোতে দ্রুত স্থায়ী নিয়োগের ব্যবস্থা করা হয়। কোনও শূন্যপদকে একটি শিক্ষাবর্ষের বেশি সময় খালি রাখা যাবে না।
২) শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে সংখ্যালঘু এবং পিছিযে পড়া পড়ুয়াদের উপর নিয়মিত এবং প্রাতিষ্ঠানিক বৈষম্য প্রতিরোধ করতে এবং তাদের উপর অত্যাচার বন্ধ করতে অবিলম্বে রোহিত অ্যাক্ট (Rohit Act)কার্যকর করতে হবে। সংখ্যালঘু এবং এসসি ও এসটি পড়ুয়াদের উপর যেকোনো হিংসাকে অপরাধ হিসাবে গন্য করতে হবে।
৩) শিক্ষার্থীদের শোষণের হাত থেকে বাঁচাতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে বিভিন্ন ফি এবং ডোনেশানের নামে অন্যায্য অতিরিক্ত টাকা আদায়ের বিরুদ্ধে সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের লাইসেন্সিং এবং ফি-ক্যাপিং নিয়মিতকরণ করতে হবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর অন্যায্য অর্থআদায়ের উপর নিয়মিত নজরদারি চালাতে হবে এবং ভুয়ো প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে।
৪) শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং শিক্ষা সংক্রান্ত কোন অভিযোগ এবং মামলার দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য আঞ্চলিক ভাবে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করতে হবে।
৫) উচশিক্ষার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় গ্রান্ট কমিশনকে (UGC) একটি স্বশাসিত সংস্থা হিসাবে বহাল রাখতে হবে। এ জন্য UGC-র সকল ক্ষমতা কার্যকারী করতে হবে।
৬) কেন্দ্রীয় সরকারকে সুনিশ্চিত করতে হবে যে, আলিগড় মুসলিম বিশ্বিদ্যালয় এবং জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়ার Minority Status-এ হস্তক্ষেপ করা হবে না।
৭) বেসরকারি প্রকাশনার অতিরিক্ত মূল্যের পাঠ্যবইয়ের ব্যবসা নিয়ন্ত্রণের জন্য পাঠ্যক্রমে বেসরকারি প্রকাশনার বই অন্তর্ভুক্তির চুক্তি বন্ধ করতে হবে।
৮) নিয়মিতকরণের লক্ষ্যে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নতুন সেশন শুরু, পরীক্ষা এবং ফলাফল একই সময়ে বের করতে হবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে নিয়মিতকরণ করতে সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া দরকার।
৯) প্রতি তিন বছরের মধ্যে স্কুলের পরিকাঠামোর উন্নতি ঘটাতে হবে (যেখানে সমস্যা আছে)। তা না হলে স্কুলের অনুমোদন বাতিল করতে হবে।
১০) কলকাতাসহ রাজ্যে সমস্ত জেলায় ছাত্রীদের থাকার জন্য পর্যাপ্ত পরিমানে আধুনিক ছাত্রীনিবাস গড়ে তুলতে হবে।
যুব-সম্প্রদায় (কর্মসংস্থান এবং সুযোগ-সুবিধা)
১) যে সমস্তবিভাগে কর্মীর অভাব রয়েছে সেইসব বিভাগে অধিক নিয়োগে সরকারকে মনযোগী হতে হবে। যেমন -শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, পুলিশ বিভাগ, সুরক্ষা বিভাগ, সেনা বিভাগ, আঞ্চলিক বিচার বিভাগ, স্বাস্থ্য দপ্তর, অঙ্গনওযাড়ি কর্মী ইত্যাদি ক্ষেত্রে অধিক কর্মসংস্থান তৈরি করতে হবে।
২) সরকারি এবং জনহিতকর দপ্তরে কর্মী নিয়োগ ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা এবং সঠিক যোগ্যতার ভিত্তিতে হতে হবে। নোটিশ জারি থেকে শুরু করে নিয়োগপত্র প্রদান এবং চাকরিতে যোগদান সবকিছুই একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে।
৩) যথাযথ আথির্ক এবং পরিকাঠামোগত উন্নতি সাধনের মাধ্যমে আন্ত্রেপ্রিনিউরশিপ (Entrepreneurship) এবং SME-এর গুরুত্ব বৃদ্ধি করতে বিশেষ ভাবে নজর রাখতে হবে, যাতে করে এই প্রকল্পের সুযোগ-সুবিধা যেন কোনও এক বিশেষ শ্রেণীর মানুষের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থাকে।
মানবাধিকার
১) মানবাধিকার রক্ষার্থে প্রতিষ্ঠিত বিভিন্ন সংস্থার (NHRC, SC/SC Commission, NCW, NCM ইত্যাদি) ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে উপযুক্ত ব্যক্তিদের নিয়োগ করতে হবে। সেই সাথে যথাযথ পরিকাঠামো ও অথের্র ব্যবস্থা করতে হবে। মানবাধিকার আইন ১৯৯৩ কে সংশোধন করে NHRC-কে শক্তিশালী করতে হবে।
২) যে সমস্ত নাগরিককে সন্ত্রাসবাদের মিথ্যা মামলায় দীর্ঘদিন আটক করে রাখার পর বেকসুর মুক্তি দেওয়া হয়েছে, সেই সকল নাগরিকদের সমাজের মূলস্রোতে ফিরিয়ে আনতে বিশেষ প্রকল্প তৈরি করতে হবে। সেই সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে হয়রানির স্বীকার এই নাগরিকদেরকে সরকারের পক্ষ থেকে ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে হবে।
৩) CrPC-এর ১৯৭ নাম্বার ধারা বাতিল করে যে সকল পুলিশ অফিসার মিথ্যা মামলা সাজিয়ে নিরপরাধ ব্যক্তিদের গ্রেফতার করে অত্যাচার চালায় এবং আইনের অপব্যবহার করে থাকে, তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করার অনুমতি প্রদান করতে হবে।
৪) অসমে জাতীয় নাগরিক পঞ্জিকরন (NRC) নবীকরণ স্বচ্ছ এবং যথাযথ ভাবে করতে হবে। প্রত্যেক ব্যক্তিকে নিজের নাগরিকত্ব প্রমান করতে পর্যাপ্ত সুযোগ ও সময় দিতে হবে। কোন নাগরিককে শুধুমাত্র নামের পদ্ধতিগত ত্রুটি কিংবা স্থানীয় আধিকারিকের দৃষ্টিভঙ্গির উপর ভিত্তি করে পঞ্জিকা থেকে বাদ দেওয়া যাবে না। আমাদের দেশের সংবিধান এবং আন্তর্জাতিক নীতি অনুযায়ী কোন মানুষই দেশহীন এবং অধিকারহীন নয়। এই বিষয়টি সামনে রেখে যাদের নাম হঠাত করে এনআরসি তালিকার থেকে বাদ পড়েছে তাদের ব্যাপারে সরকারের পরিকল্পনা স্বচ্ছতার সাথে প্রকাশ করতে হবে।
৫) ব্যক্তির গোপনীয়তা ডিজিটাল হোক বা অন্য কিছু অবশ্যই সুরক্ষিত রাখতে হবে। কোন রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষ আইনি পন্থা এবং আইনের যথাযথ প্রক্রিয়া ছাড়া ব্যক্তিগত নাগরিক সম্পর্কিত তথ্য নিরীক্ষণ, সংগ্রহ এবং শেয়ার করার অধিকার পাবে না।
খবরসহ আমাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সব লেখা ফেসবুকে পেতে এখানে ক্লিক করুন এবং নোটিফিকেশনের জন্য লাইক দিন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here