থানায় তুলে এনে ৩ মহিলাকে বেদম প্রহার, পাষন্ড ওসির প্রহারে অন্তঃসত্ত্বা মহিলার গর্ভপাত!

0
ছবি: অভিযুক্ত ওসি মহেন্দ্র শর্মা। ফাইল ফটো।

তরঙ্গবার্তা ডেস্ক: অসমের দরঙ জেলার বুঢ়া থানার ওসির বিরুদ্ধে একজন গর্ভবতী মহিলা সহ ৩ জন মহিলাকে বাড়ি থেকে থানায় এনে অমানবিক নির্যাতন ও অন্তঃসত্ত্বা মহিলার গর্ভপাতের জঘন্য ঘটনায় রাজ্যজুড়ে তীব্ৰ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

জানা গিয়েছে, দরঙ জেলার বুঢ়া থানার ওসি মহেন্দ্ৰ শৰ্মা ৩ মহিলাকে বাড়ি থেকে থানায় নিয়ে যান এবং সেখানেই মারধর করেন। এই ৩ জন মহিলার মধ্যে একজন আড়াই মাসের গর্ভবতী মহিলাও ছিলেন। গর্ভবতী মহিলার ওপর থানার ওসির বেদম প্রহারে শেষমেশ গর্ভের সন্তান খুয়াতে হলো ভোক্তভোগী মহিলার।

ঘটনাটি ঘটেছে গত ৯ ছেপ্টেম্বর সোমবার। ভুক্তভোগী মহিলাদের অভিযোগ, ওসি মহেন্দ্ৰ শর্মা আসামিকে ধরতে গিয়ে আসামিকে না পেয়ে ওই বাড়ি থেকে এক মহিলা কনিষ্টবলের সহায়তায় ৩ জন মহিলাকে থানায় নিয়ে আসেন এবং ওই ৩ জন মহিলার মধ্যে একজন আড়াই মাসের অন্তঃসত্ত্বা মহিলাও ছিলেন। এর পরই তাঁদের ওপর অকথ্য নির্যাতন চালান ওসি মহেন্দ্র শর্মা।

ছবি: প্রতিদিন টাইম

আজ মঙ্গলবার ওই মহিলা পুরো ঘটনার বিবরণ দেন নিউজ১৮ টিভিকে। এমনকি বাকি দুজন যুবতীকে যৌন নির্যাতনেরও অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে ওসির বিরুদ্ধে।

নিউজ১৮ টিভিতে সাক্ষাৎ দিতে গিয়ে ওই মহিলা অভিযোগ করেছেন যে, তিনি অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার কথা ওসির কাছে খুলে বলে বারংবার কাকুতি মিনতি করেছেন তাঁকে প্রহার না করতে। কিন্তু এর পরও থেমে থাকেননি ওই অভিযুক্ত ওসি মহেন্দ্র শর্মা।

এই ঘটনার পর গত ১০ সেপ্টেম্বর ওসি মহেন্দ্ৰ শৰ্মার বিরুদ্ধে দরঙ থানায় এক মামলা দায়ের করেছিলেন ভুক্তভোগী মহিলারা৷ কিন্তু গোটা বিষয়টিকে চাপা দেওয়ার অভিযোগ উত্থাপন হয়েছে দরঙ পুলিশ সুপারের বিরুদ্ধে। সর্বশেষ প্রাপ্ত খবর মতে, ঘটনার সাত দিন অতিক্রম হয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত অভিযুক্ত ওসি মহেন্দ্ৰ শৰ্মার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা গ্ৰহণ করেনি বিভাগীয় কর্তৃপক্ষ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here