এইবার বিধায়ক কেনা সহজ হচ্ছেনা, চাটার্ড বিমানে চাপিয়ে হোটেলে বন্দি এআইইউডিএফ প্রার্থীদের!

0

এইবার ঠিকই খেলা হচ্ছে। নির্বাচনের পরও এই খেলা অব্যাহত রয়েছে। এটাকে খেলার দ্বিতীয়ার্ধ বলা যেতে পারে। আর দ্বিতীয়ার্ধেই রয়েছে খেলার আসল উত্তেজনা। শুক্রবার ইউডিএফ প্রার্থীদের চাটার্ড বিমানে করে এক হোটেলে অন্তরীণ করে রাখা হয়েছে। কারণটা পেটে পেটে সকলের জানা।

বিধানসভা নিৰ্বাচনের ভোটগ্ৰহণ সমাপ্ত হওয়ার পর বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মধ্যে সরকার গঠনকে কেন্দ্ৰ করে জল্পনা-কল্পনা তুঙ্গে ওঠছে। নিৰ্বাচনী সমীক্ষা সমূহে বিজেপি মিত্ৰজোট ও কংগ্ৰেস মহাজোটের মধ্যে স্পষ্ট সংখ্যা গরিষ্ঠতার ইঙ্গিত নেই । তাই বিধায়ক কেনা বেচার ঘটনার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

তবে রিস্ক নিতে চাইছেনা এআইইউডিএফ। সব আশঙ্কা দূর করার জন্য শুক্রবার ইউডিএফ প্রার্থীদের চাটার্ড বিমানে করে কোনো এক হোটেলে নিয়ে রাখা হয়েছে। ফলাফল ঘোষণা পর্যন্ত হোটেলেই থাকতে হবে প্রার্থীদের। তবে সেখানে তাদের জন্য সব ধরণের সুযোগ সুবিধা রাখা হয়েছে।

হোটেলে নিয়ে রাখা প্রার্থীদের যাতে কোনো ধরণের অসুবিধা না হয় তার জন্য সব বন্দোবস্ত করে রাখা হয়েছে।সূত্ৰের খবর, এই কয়েক দিন প্রার্থীদের সঙ্গে যাতে কেউ যোগাযোগ করতে না পারে তার জন্য কোনো ফোন থাকবেনা। তবে একটি নির্দিষ্ট ফোন থাকবে, যেটির সাহায্যে দলীয় নেতৃত্বের মধ্যে শুধু আলোচনা হবে। এতেই সীমাবদ্ধ থাকবে এই ফোনের কাজ। তবে পরিবারের লোকের সঙ্গে কথা বলা যাবে তৃতীয় ব্যক্তির মাধ্যমে।

অন্য আরেকটি সূত্র মতে, কংগ্রেসও একই পন্থা অবলম্বন করবে। দলীয় বিধায়কদের শীঘ্রই নির্জন অজ্ঞাতবাসে পাঠাবে কংগ্রেস।

মূলত বিজেপির ভয়েই এমন সতর্কতা অবলম্বন করছে ইউডিএফ-কংগ্রেস বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। তাদের মতে, অতীতে এরকম বহু রাজ্যে বিরোধী দলের বিধায়ক কিনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করেছে বিজেপি। এইবার বিজেপির সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ার সম্ভাবনা প্রকট হয়ে ওঠছে। ফলে বিরোধী শিবিরের বিধায়কদের কেনার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে। তাই আগে থেকেই সচেতন হয়ে ওঠছে কংগ্রেস-ইউডিএফ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here