কংগ্রেসের ‘ন্যায়’ প্রকল্পের ধাঁচে তৃণমূলের নির্বাচনি ইস্তেহার,বছরে ৫ লক্ষ কর্মসংস্থান, কৃষক ভাতা সহ একাধিক অঙ্গীকার

0

বুধবার নির্বাচনি ইস্তেহার প্রকাশ করলো তৃণমূল কংগ্রেস। ব্যাপক ভাবে কংগ্রেসের ‘ন্যায়’ প্রকল্প অনুসরণ করা হয়েছে তৃণমূলি ইস্তেহারে।

খাদ্য, স্বাস্থ্য, শিক্ষা সকলের জন্য অবারিত রয়েছে। বাংলার ১.৬লক্ষ সাধারণ পরিবার মাসে ৫০০ টাকা করে পাবে বলে জানালেন তৃণমূল নেত্রী। সাধারণ শ্রেণির পরিবারকেও মাসে দেওয়া হবে ৫০০ টাকা।’

বাংলার বাজেট তিনগুণ বেড়েছে। বার্ষিক পাঁচ লক্ষ কর্মসংস্থানের লক্ষ্যমাত্রা ধার্য হয়েছে।এতে রয়েছে লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের ন্যায় প্রকল্পের ধাঁচ।

সরকারে আসার পর রাজ্যের সকল পরিবারের আয় সুনিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিলেন মমতা। বলেন,’বাংলায় জেনারেল পরিবার আছে ১.৬ কোটি। বাকি সংখ্যালঘু, তপশিলি জাতি-উপজাতির মানুষ। সরকারে এসে আমরা লক্ষ লক্ষ বিধবা, প্রবীণ নাগরিক ও প্রতিবন্ধীদের হেল্প করেছি। এবার তা আরও প্রসারিত করব।  সুনিশ্চিত করব ন্যূনতম মাসিক আয়। ১.৬ কোটি পরিবারকে মাসে দেওয়া হবে ৫০০ টাকা। বছরে দেওয়া হবে ৬০০০। তপশিলি জাতি-উপজাতি পরিবারকে দেওয়া হবে ১ হাজার টাকার ভাতা। বছরে ১২ হাজার টাকা। এটা পকেট মানি বলতে পারেন বা তার নিজস্বতা। খাদ্য, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা ফ্রি-তে পাচ্ছেন। তবে বাড়ির মেয়েদের হাতে টাকা না থাকলে অনেক অসুবিধা হয়।’

রাজ্যের ১.৫ কোটি পরিবারকে বাড়িতে রেশন পৌঁছে দেওয়া হবে। দুয়ারে রেশন পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি বছরে দুবার দুই মাস করে চার মাস দুয়ারে সরকার কর্মসূচি নেওয়া হবে। আর এখনকার মতো কন্যাশ্রী, রূপশ্রী প্রকল্প চালু থাকবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

নতুন সরকার ক্ষমতায় এলে ১৮ বছর বয়সে কেউ বিধবা হলেই তাঁকে মাসে হাজার টাকা করে বিধবা ভাতা দেওয়া হবে।

ছাত্রদের ১০ লক্ষ টাকার ক্রেডিট কার্ড দেওয়া হবে। তাতে ৪ শতাংশ করে সুদ লাগবে। জামিনদার হবে সরকার।

পাশাপাশি কৃষকদের জন্য বছরে একর পিছু ১০ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। অতিরিক্ত ২৫ লক্ষ বাড়ি তৈরি করে দেওয়ার পরিকল্পনার কথাও বলা হয়েছে ইস্তেহারে।

তৃণমূলের ইস্তেহারে মাহিষ্য, তিলি, সাহা-সহ বেশ কয়েকটি সম্প্রদায়কে ওবিসির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে স্পেশাল টাস্কফোর্স তৈরি করা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রসঙ্গত সে সম্প্রদায়গুলির কথা বলা হচ্ছে, সেইসব সম্প্রদায়গুলিকে মণ্ডল কমিশনই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছিল।

সবার মধ্যে সমন্বয় করে উন্নয়নের কাজ করতে তরাই-ডুয়ার্স ডেভেলপমেন্ট বোর্ড তৈরি করা হবে বলে জানিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জেলায় জেলায় বিশ্ববিদ্যালয় তৈরির কাজকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

ইস্তেহারে ঘোষিত আরো কয়েকটি বিষয়
লকডাউনে অভিবাসী শ্রমিকদের জন্য কাজের ব্যবস্থা করেছি। বাংলায় বেকারত্ব কমেছে।

১০০ দিনের কাজে দেশের মধ্যে আমরাই প্রথম। ১ কোটি ৭৫ লক্ষ কর্মদিবস তৈরি করেছি বললেন মমতা ব্যানার্জি।

করোনার জন্য এক বছর ধরে অনেক কাজ পিছিয়ে গিয়েছে। তা সত্ত্বেও অন্য রাজ্যের তুলনায় আয় বেড়েছে। তবুও রাজ্যের মানুষের মাথা পিছু আয় দ্বিগুণ হয়েছে।

বাংলার বাজেট তিনগুণ বেড়েছে। বার্ষিক পাঁচ লক্ষ কর্মসংস্থানের লক্ষ্যমাত্রা ধার্য হয়েছে।বাংলার বাড়ি প্রকল্পে ৫ লক্ষ স্বল্পমূল্যের বাড়ি।৬৮ লক্ষ ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষককে সাহায্য।৪৭ লক্ষ পরিবারকে নলবাহিত পানীয় জল।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here