মোদীর জনপ্রিয়তা হ্রাসের ইঙ্গিত, কমতে পারে বিজেপির আসন, বলছে সমীক্ষা রিপোর্ট

0
ছবি : সংগৃহিত
তরঙ্গ বার্তা, ডিজিটাল ডেস্ক : লোকসভা নির্বাচনের দু-দফার ভোট শেষ হয়ে গিয়েছে। গোটা দেশে প্রায় ২০০ কেন্দ্রের ভোট হয়েছে। বিভিন্ন সমীক্ষক সংস্থা মনে করছে, ভোটের প্রাক মুহূর্তের সমীক্ষায় যে ছবি উঠে এসেছিল, দু-দফা নির্বাচন শেষে সেই ছবি আর দেখা যাচ্ছে না। অর্থাৎ প্রত্যাশা মতো ফল করতে পারবে না বিজেপি, এমনটাই ইঙ্গিত দিয়েছে সমীক্ষক সংস্থার ডিরেক্টররা।
দু-দফা ভোটের পরে সমীক্ষক সংস্থা সিএসডিএস বা সি-ভোটার প্রত্যেকেই বলছে, ভোট শুরুর আগে সারা ভারতবর্ষে যে হাওয়া উঠেছিল মোদীর, তা এখন অনেকটাই স্তিমিত হয়ে গেছে। অন্তত প্রথম দু-দফার ভোটে সেই হাওয়া ভোটবাক্সে সেভাবে প্রতিফলিত হয়নি। এই পরিস্থিতি বজায় থাকলে, বিজেপির আসন সংখ্যা কমতে বাধ্য বলে মনে করছে ওই সমীক্ষক সংস্থা। ভোটের আগে সমীক্ষায় ওই দুই সমীক্ষক সংস্থা বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোটকেই এগিয়ে রেখেছিল।
এমনকী তাঁদের সংখ্যাগরিষ্ঠতার কাছাকাছি আসনও দিয়েছিল। কিন্তু দুই দফার ভোটের পর সেই অবস্থান থেকে একটু সরে আসছে সি-ভোটার ও সিএসডিএস সংস্থা। সম্প্রতি সর্বভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমের সাক্ষাৎকারে এই কথা জানিয়েছে সংস্থার ডিরেক্টর সঞ্জয় কুমার। ভোট কম, হাওয়া স্তিমিতি সমীক্ষক সংস্থার ব্যাখ্যা, প্রথম দুটি পর্বেই ভোট পড়েছে কম। যা স্পষ্ট ইঙ্গিত করছে, এবারের ভোটে মোদী হাওয়া সেভাবে কাজ করছে না। আর এতেই লুকিয়ে রয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টির আতঙ্ক। এব্যাপারে উত্তরপ্রদেশে প্রথম দফায় ভোট হওয়া আট আসনের কথা উদাহারণ হিসেবে তুলে ধরেছে। ভোটের প্রাক মুহূর্তে সিএসডিএসের সমীক্ষা রিপোর্টে দেখানো হয়েছিল উত্তরপ্রদেশে ৩২ থেকে ৪০ টি আসন পাবে বিজেপি। প্রথম ও দ্বিতীয় দফার ভোটের পরে এখন তাদের ধারণা, উত্তরপ্রদেশে ২০ থেকে ২৫ টি আসন পেতে পারে বিজেপি।
যদি পরবর্তী পর্বে ভোটদানের হার না বাড়ে তা হলে মহারাষ্ট্র, বিহারেও বিজেপি কম আসন পেতে পারে। এই সমীক্ষায় বিজেপিকে বিহারে ২৮ থেকে ৩৪ ও মহারাষ্ট্রে ৩৮ থেকে ৪২ টি আসন দেওয়া হয়েছিল। সি-ভোটারের সমীক্ষকরাও মনে করছেন, ভোটের আগে যা মনে করা হয়েছিল, দু দফার ভোট সেই প্রত্যাশা ছুঁতে পারেনি ভারতীয় জনতা পার্টি। তারা বিজেপির জনপ্রিয়তা দেখিয়েছিল ৬২ শতাংশ। এখন তা কমে ৪৩ শতাংশ বলে জানিয়েছে।দেশের নিরাপত্তা ইস্যুতে হঠাৎ করে ভোটের আগের মুহূর্তে মোদীর জনপ্রিয়তা অনেকটা বেড়ে গেলেও এখন আবার আগের পরিস্থিতিতে ফিরে গিয়েছে। তাই তাদের জনপ্রিয়তা কমে যাওয়ায় কিন্তু বড় ধরনের চিন্তার কারণ বলে মনে করছে ওই সমীক্ষক সংস্থা।
খবরসহ আমাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সব লেখা ফেসবুকে পেতে এখানে ক্লিক করুন এবং নোটিফিকেশনের জন্য লাইক দিন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here