বন দপ্তরের হয়রানির শিকার কৈলাশহরের হামিদুল্লার পরিবার, প্রশাসনের নিকট ন্যায় বিচারের দাবি

0
ছবি: নিজস্ব
আব্দুল জলিল, তরঙ্গ বার্তা, কৈলাশহর: কৈলাশহর মহকুমা বন দপ্তর কর্তৃক হয়রানির শিকার ঢেপাছড়া এলাকার হামিদ উল্লার পরিবার। ঘটনার বিবরণে জানা যায়, গত ১৮ জুন কৈলাশহর বনদপ্তর এর কাছে গোপন সূত্রের ভিত্তিতে খবর আসে ডেপাছড়া এলাকার পাহাড় থেকে চোরাকারবারিরা গাছ কেটে নিয়ে যাচ্ছে। এরই ভিত্তিতে কৈলাশহর বনদপ্তর এর কর্মীরা সেখানে ছুটে যায়, কিন্তু ততক্ষণে পাচারকারীরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।

কিন্তু এ দিন ঘটে যায় আরও এক বিপত্তি। এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিত্ব হামিদুল্লার এক ছেলে নিজের হাতি দেখার জন্য রাস্তার পাশে নিজের ব্যক্তিগত ব্যবহৃত একটি অলটো গাড়ি রেখে যান। দীর্ঘক্ষণ পর হামিদুল্লার পরিবারের সদস্যরা ছেলে ফিরে না আসায় কিছুটা দুশ্চিন্তায় পড়ে। হামিদুল্লা তার আরেক ছেলেকে মোটর বাইক দিয়ে ছেলের খবর নেওয়ার জন্য পাঠান। এবং সেও গাড়ির পাশে মোটর বাইক রেখে বড় ভাইয়ের খোঁজ করতে পাহাড়ের উপরে উঠে।
এদিকে বন দফতরের কর্মীরা পাচারকারীদের সন্ধান না পেয়ে রাস্তার পাশে পার্কিং করা গাড়ি ও মোটর বাইকের লক ভেঙ্গে নিয়ে যায়। পরবর্তী সময় হামিদুল্লার দুই ছেলে ফিরে এসে গাড়ি ও মোটর বাইক না পেয়ে চুরি হয়েছে ভেবে চতুর্দিকে খুঁজাখুঁজি শুরু করেন। এমন সময় স্থানীয় কয়েকজন জানান, যে বন দপ্তরের কর্মীরা লক ভেঙ্গে গাড়ি ও মোটর বাইক নিয়ে গেছেন।

এতে প্রশ্ন উঠছে, এভাবে পার্কিং করা অবস্থায় লক ভেঙ্গে গাড়িগুলি বন দপ্তরের কর্মীদের নিয়ে যাওয়া কতটুকু সঠিক। তাছাড়া যে অজুহাত দেখিয়ে বন দফতরের কর্মীরা গাড়ি গুলি নিয়েছেন, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। এবং অলটো গাড়ি ও মোটরবাইক করে গাছ কেটে আনা আদৌ সম্ভব কি?
এই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে। সমালোচনা হচ্ছে সর্বত্র। এদিকে গাড়ি ও মোটর বাইকের মালিক হামিদুল্লাহ ও তার ছেলেরা বনদপ্তর এর কাছ থেকে গাড়ি ছাড়িয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য যখন উদ্যত হন, তখন বন দপ্তরের কর্মী ও আধিকারিকরা বলেন, প্রয়োজনীয় তদন্ত ক্রমে এগুলি ছাড়া হবে। তাই অসহায় হয়ে হামিদুল্লাহ তার পরিবার জেলা ও মহকুমা প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়ে কৈলাশহর মহকুমা বনদপ্তর-এর নিকট হয়রানির বিচার চান এবং নিজের ব্যক্তিগত ব্যবহৃত মোটরবাইক ও অলটো গাড়ি ফিরে পাওয়ার জন্য আবেদন করেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here