মোদির মতো এত বড় মিথ্যাবাদী জীবনে দেখেননি দিদি, বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরে হুঙ্কার

0

পশ্চিমবঙ্গে ভোটের চাইতে এখন জমে ওঠেছে মোদি এবং দিদির লড়াই। বাংলা দখলের জন্য পুরো শক্তি ঢেলে দিয়েছে বিজেপি। একের পর এক স্টার ক্যাম্পেইনাররা ছুটে যাচ্ছেন বাংলায় প্রধানমন্ত্রী তো বাংলাকে এখন রীতিমত ঘর বানিয়ে ফেলেছেন। যেখানেই যাচ্ছেন দিদিকে আক্রমণ করে চলেছেন। মমতাও ছেড়ে দেবার পাত্রী নন। তিনিও হামলে পড়ছেন বিজেপির ওপর। এবার তো মোদিকে বাক্যবাণে ফালা ফালা করে দিলেন। বললেন,” এত বড় মিথ্যাবাদী আমি জীবনে দেখিনি”।

একদিকে কাঁথিতে জনসভা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেখানে একের পর এক আক্রমণ শানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। পাল্টা বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুর থেকে নির্বাচনী জনসভা থেকে কটাক্ষ ছুঁড়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। একনজরে দেখে নেওয়া যাক কী বললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-

মোদির মতো এত বড় একটা মিথ্যেবাদী আমি জীবনে দেখিনি। প্রধানমন্ত্রীর চেয়ারটাকে আগে সম্মান করতাম। এখন আর করি না।

বীরসা মুণ্ডার মূর্তি বলে কার মূর্তিতে মালা দিয়েছিল? মনে আছে? বিষ্ণুপুর কি ভুলে গিয়েছে?

ফুল একটাই, মাটি মানে ঘাস, ঘাস মানে
জোড়াফুল। আর সেই জোড়াফুলেই ভোটটা দেবেন।

বিষ্ণুপুরে হেরিটেজ টাউন হবে। আগেও বিষ্ণুপুরের ঘোড়া ও পট শিল্পীদের জন্য বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে আরও উন্নতি হবে। আমি যা বলি করে দেখাই।

২৯১টা সিটে আমাকেই ভোট দেবেন। তবেই তো আপনাদের বিনামূল্যে চাল দিতে পারব। সুবিধা দিতে পারব। আমাকে চাইলে জোড়া ফুলে ভোট দিন।

বাংলায় ভিন রাজ্য থেকে যারা আসে তাঁদের বহিরাগত বলি না। যারা শুধু ভোটের আগে আসে, তাদের বহিরাগত বলি।

সপ্তম পে কমিশনের কথা বলেছে বিজেপি। এদিকে ত্রিপুরায় প্রভিডেন্ট ফান্ড তুলে দিল, গ্র্যাচুইটি তুলে দিল। মিথ্যেবাদীর দল বিজেপি।

জঙ্গলমহলে রোজ রক্ত ঝরত। এখন বলুন তো, জঙ্গলমহলে মানুষ মরছে? বাঁকুড়া ভাল আছে তো? জঙ্গলমহলে ৪০ হাজার ছেলেমেয়েকে চাকরি করে দিয়েছি। যাতে তাঁরা মূলস্রোতে ফিরে আসেন, অনেকে এসেছেনও। যা বলেছি তা করে দেখিয়েছি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here