নোটবাতিলের পর থেকে ৫০ লাখ মানুষ চাকরি হারিয়েছে, চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট

0
ছবি : সংগৃহিত
তরঙ্গ বার্তা, ডিজিটাল ডেস্ক : লোকসভা ভোটের মুহূর্তে চরম ধাক্কা খেল মোদী সরকার। ২০১৬ সালের শেষের দিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নোটবাতিল ঘোষণা করার পর ৫০ লাখ (পাঁচ মিলিয়ন) লোক চাকরি হারিয়েছে। যাদের মধ্যে অনেকেই সমাজের দুর্বল অংশের সাথে যুক্ত। একটি নতুন প্রতিবেদনে একথা বলা হয়েছে।
আজিম প্রেমজি বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে ‘স্টেট অফ ওয়ার্কিং ২০১৯’ নামে এই রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়েছে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, ২০১৬ সালের ৮ নভেম্বর নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকার পুরনো ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিলের যে সিদ্ধান্ত নেয়, তার পরে পরবর্তী ২ বছরে দেশে প্রায় ৫০ লক্ষ পুরুষ কর্মহীন হয়েছেন। প্রকাশিত রিপোর্টে বলা হয়েছে, হতে পারে একলপ্তে এত পুরুষ কর্মহীন হওয়ার পিছনে অন্যান্য কিছু কারণ ছিল, কিন্তু নোটবাতিলও যে এর অন্যতম কারণ তা অস্বীকার করা যায় না। সরকারকে অস্বস্তিতে ফেলে রিপোর্টে বলা হয়েছে, কর্মসংস্থান হ্রাস পাওয়ার পিছনে নোটবাতিলের সিদ্ধান্ত কোনও কারণ কিনা, তা নিয়ে কোনও সংশয় নেই। অবশ্যই এটা একটা কারণ।
এদিকে আনন্দ শ্রীবাস্তব, রোজা আব্রাহাম ও অমিত বসোলের তৈরি করা গবেষণা পত্রে বলা হয়েছে,১৯৯৯ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত প্রায় ২-৩ শতাংশের কাছাকাছি বেকারত্বের হার ছিল, ২০১৫ সালে প্রায় ৫ শতাংশে উন্নীত হয়েছিল এবং ২০১৮ সালের মধ্যে ৬ শতাংশের বেশি হয়েছে। পিএলএফএস এবং সিএমআইই-সিপিডএক্স উভয়ই সামগ্রিক বেকারত্বের হার ২০১৮ সালে ৬ শতাংশের কাছাকাছি , যা ২০০০ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত গত এক দশকের থেকে দ্বিগুণ বেশি। ওই সময়ে সামগ্রিক বেকারত্বের হার প্রায় ৩ শতাংশের কাছাকাছি ছিল, শিক্ষিতদের মধ্যে বেকারত্বের হার ১০ শতাংশ ছিল। ২০১১ সাল থেকে (৯ শতাংশ) প্রায় ১৫-১৬ শতাংশ (২০১৬ সালে) বৃদ্ধি পেয়েছে।
উল্লেখ্য, কয়েকমাস আগেই দেশের কর্মসংস্থান সংক্রান্ত কেন্দ্রের একটি রিপোর্ট ফাঁস হয়ে গিয়েছিল। সেই রিপোর্টে বলা হয়েছিল, ২০১৭-১৮ অর্থবর্ষে বেকারত্বের হার গত ৪৫ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ ছিল।
খবরসহ আমাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সব লেখা ফেসবুকে পেতে এখানে ক্লিক করুন এবং নোটিফিকেশনের জন্য লাইক দিন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here